লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামে শিশুদের লোকসংগীত শেখাতে কাজ করছে মায়ের তরী। ৮ অক্টোবর প্রকাশিত বাসসের প্রতিবেদনে সংগঠনটির নয়টি গুরুগৃহে ছয় শতাধিক শিশুর অংশগ্রহণের কথা জানানো হয়। সেখানে প্রশিক্ষণের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো খরচ নেওয়া হয় না।
ভাওয়াইয়া, লালন, বাউল, মারফতি ও মুর্শিদি গানের পাশাপাশি বাঁশি, একতারা এবং দোতারা শেখানো হচ্ছে। লালমনিরহাটের আদিতমারীর দেওডোবা গ্রামের সুরালয় গুরুগৃহেই নিয়মিত আসে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন শিশু। স্থানীয় গানের ধারার সঙ্গে নতুন প্রজন্মের পরিচয় তৈরি হচ্ছে এই চর্চায়।
প্রশিক্ষকদের বড় অংশ স্বেচ্ছায় সময় দিচ্ছেন। তবে বাদ্যযন্ত্র ও অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতার কথাও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সংগঠনটির ভবিষ্যৎ ভাবনায় রেকর্ডিং স্টুডিও, ডিজিটাল সংগ্রহশালা এবং প্রবীণ শিল্পীদের জন্য জায়গা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে; এগুলো এখনো পরিকল্পনার পর্যায়ে।
প্রকাশ্য সূত্রের ভিত্তিতে নিজস্ব ভাষায় তৈরি সংবাদসংক্ষেপ। সম্পূর্ণ তথ্যের জন্য মূল প্রতিবেদন পড়ুন।