ভাদ্রমাস এলেই কুকুরের উৎপাত বেড়ে যায় : শেখ স্বাধীন মোঃ শাহেদ | | সেরা নিউজ ২৪ ডটকম | SeraNews24.Com | সর্বদা সত্যের সন্ধানে
বিজ্ঞপ্তিঃ

দেশের জনপ্রিয় জাতীয় অনলাইন দৈনিক “সেরা নিউজ ২৪ ডটকম” এর সংবাদ সংগ্রহ করার জন্য জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কর্মঠ, সৎ, সাহসী পুরুষ ও মহিলা সংবাদদাতা/প্রতিনিধি/বিশেষ প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগঃ 01727747903 ইমেইলঃ [email protected]

ভাদ্রমাস এলেই কুকুরের উৎপাত বেড়ে যায় : শেখ স্বাধীন মোঃ শাহেদ

ভাদ্রমাস এলেই কুকুরের উৎপাত বেড়ে যায় : শেখ স্বাধীন মোঃ শাহেদ




ভাদ্রমাস এলেই এদেশে কুকুরের উৎপাত বেড়ে যায়।রাস্তা ঘাটে, বনে -জংগলে,হাসপাতালে,পল্টনে,আমার দেশ অফিসের সামনে সর্বত্র কুকুরের নির্লজ্জতায় আমাদের মুখ ঢাকতে হয়। কে কি ভাবলো না ভাবলো তা নিয়ে কুকুর গুলির মাথা ব্যাথা থাকেনা। ওরা ওদের কাজ করে যায়।বাড়িতে প্রভু ভক্তির চরম নিদর্শন দিয়ে যে কুকুর টা সারারাত পাহারা দিত,সেও উন্মাদ হয়ে যায় এ সময়। সঙ্গী একজন, প্রত্যাশী একের অধিক হলে ঝগড়া হয় ওদের মাঝে। মারামারি ও হয়।তখন বেশি উত্তেজিত কুকুরটা পাড়ার অন্যান্য কুকুরদের ডেকে বলে,মিয়াঁ ভাই অমুক পাড়ার অমুক কুত্তার এমন সাহস অয় কেমনে যে আম্নের ছোড ভাইডারে কামরায়? মিয়াঁ কুকুর তখন নিজের হ্যাডম দেখানোর জন্য আসে। সেও একই কর্মে লিপ্ত হয়।
বাংলা যে ভাদ্রমাস যেদিন থেকে শুরু হয় সেদিন ইংরেজিতে ১৫ আগস্ট। আর এ সময় টা আসার পর থেকে একের পর এক তারিখ যায়,এদেশে কিছু দুপেয়ে কুকুর মানচিত্র ধরে কামরাতে শুরু করে।সূচনাটা হয়েছিল ১৯৭৫ সাল থেকে, শেষ টা ২০১৮ তেও হয়নি।কবে হবে কে জানে? এবার আমরা আগস্টের শুরুতেই ৪ তারিখ দেখলাম নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের নামে ঘৃন্য,বেহায়া,অমানবিক একটা কুটচাল যেখানে ক্রুসেডের মত শিশুদের ব্যবহার করা হল। আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে গোপাল ভাড়ের সেই গল্প টি। রাজা বনে পায়খানা করতে গেছেন,তার কানের কাছ দিয়ে একটা পাখি উড়ে যায়। সেটা উজির দেখে ফেলে। উজির নাজির কে বলে,রাজার একেবারে পেছন দিয়ে পাখি উড়ে গেছে। নাজির সেটা সেনাপতি কে বললেন,”আপনার কাজ কি? জানেন না রাজার পেছন দিয়ে পাখি যাতায়াত করছে”? সেনাপতি তার সৈনিকদের বললেন,”হুশিয়ার,রাজার পাছা দিয়ে ঝাকে ঝাকে পাখি ঢোকে গেছে। আমরা জীবনের শেষ রক্ত দিয়ে হলেও রাজার পেছন থেকে এই পাখি উদ্ধার করেই ছাড়ব”। ঠিক এভাবেই, সড়ক আন্দোলনে গুজবে কান দিয়ে একশ্রেণীর লোক রাস্তায় নেমে এলো।আর আগস্টের শেষ টা হল ড.কামাল আর বদরুদ্দৌজার মিটিং এর মাধ্যমে।কুত্তা পাগল হয় ভাদ্র মাসে,স্বাধীনতা বিরোধীরা পাগল হয় আগস্ট মাসে।
এদেশে মিটিং মিছিল আলোচনা জোট এগুলি বন্ধ নয়। হচ্ছে,হবে। কিন্তু আমার কথা হল,কারা করছে? আমরা যুক্তফ্রন্ট দেখেছি,আমরা চার দলীয় ঐক্যজোট দেখেছি,আমরা ২০ দলীয় মহাজোট দেখেছি। এদের প্রত্যকটা জোটের একটা রাজনৈতিক আদর্শ এবং উদ্যেশ্য ছিল। সরকারে থাকা দলকে তারা পরাহত করার করতে পারত। বিজিত করার মত কৌশল এবং জনবল ছিল। অভিজ্ঞতা এবং জাতীয় নেতৃত্ব ছিল। কিন্তু এবার যে রাজনৈতিক মোর্চা হল,তাদের এগুলির মধ্যে কোন টা আছে। এরা রাজনৈতিক মোর্চা করেছে,অথচ অধিকাংশই কোণদিন নির্বাচনে জেতেন নি। অনেকে নির্বাচন করেনই নি। এদের ভরসার মূল জায়গা বিএনপি।অর্থাৎ বিএনপির পরগাছা। এদের সম্পরকে আমাদের একটু জ্ঞান করা দরকার।

আসুন আমরা প্রথমেই আ স ম আব্দুর রবকে চিনি। ইনি আমার আবাসিক হলের বড় ভাই। অর্থাৎ জহুরুল হক হলের ছাত্র। সবাই জানে,লোক টা বাংলাদেশের প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী। ইতিহাসের দায় থেকে মুক্তি পেতে আমি খুজেছি সত্যটা। কারন যে ব্যক্তি বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করতে পারেন,তিনি ক্ষমতার লোভে এরশাদের নির্বাচনে যেতে পারেন না। সত্যটা হল,১৯৭১ সালের ২রা মার্চ জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা উনার উপর দায়িত্ব ছিল। এটা উনার কৃতিত্ব নয়। উনি ছাত্রলীগের ব্যানারে নির্বাচন করেছিলেন,তাই নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং তাই সেদিন ছাত্র জনতার পক্ষ থেকে উনি পতাকা উড়ানোর জন্য সিলেক্টেড হয়েছিলেন। ফায়ার সার্ভিসের কোন কর্মচারি যদি আগুন থেকে কোন বাচ্চাকে উদ্ধার করে বলে বসে, সেই এই বাচ্চার জন্মদাতা তাহলে যেমন অপরাধ হবে,তেমনি সেদিনের পতাকা উড়িয়ে রব সাহেব পতাকার ধারক ও বাহক বললে একই ভুল হবে।
সেদিন জহুরুল হক হলে তার থেকে অনেক বড় নেতা ছিলেন। যাদের বহুদিনের লালিত,অর্জিত ফসল ছিল এই পতাকা। এই পতাকা তৈরি করা হয় ছাত্রলীগ নেতা চিশতি শাহ হেলালুর রহমানের ২১৫ নং কক্ষে ১ লা মার্চ। যখন তৈরির স্বিদ্ধান্ত নেয়া হয়,তিনি ছিলেন না। তৈরি করার সময় পদাধিকার বলে তিনি উপস্থিত হন। এই পতাকা ২রা মার্চ বহন করে নিয়ে আসেন ঐ সময়ের জগন্নাথ কলেজের ছাত্রলীগ নেতা নজরুল ইসলাম। এই পতাকা জাতীয় পতাকা হবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত ও তিনি দেন নি। বরং এই পতাকা জাতীয় পতাকা হবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত নেবার সময় ৩১৩ নং কক্ষেও তিনি ছিলেন না। তাহলে বটতলায় নজরুলের কাছ থেকে পতাকা নিয়ে দুই ঘুর্নি ঘোরালেন, আর এদেশের জাতীয় পতাকার ধারক হয়ে গেলেন!!! এতো দেখছি,শিক্ষক নিজে গাছে উঠে ডাব পেরে দা দিয়ে কেটে দিলে ছাত্র যেমন বলে,স্যার আপনার এই আদেশ না মানলে পাপ হবে- তেমন গল্প!!!
পতাকার এই অধ্যায় চুকে গেলে তার জীবনে তিনি একজন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হবার মতও বিশ্বস্ত নন। তাই এ চ্যাপ্টার আগে চুকিয়ে দিলাম। এবার আসুন অতি সম্প্রতি তার বিএনপি পন্থী কিছু দালালীর চিত্র দেখি। ইনি ২০১৭ সালে নিজেকে বড় করতে গিয়ে বলে ফেলেন,আওয়ামীলীগ স্বাধীনতা ঘোষণা ও করেনি পক্ষেও ছিলনা। ঠিক যেমন ভাবে রিজভী সাহেব পল্টনে বসে মাঝে মাঝে পাগলামি করে উলটা পালটা বলে ফেলেন।
ইনিই ২০১৫ সালে বলেছিলেন,এদেশে দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন হলে দেশে গৃহযুদ্ধ বেধে যাবে। অথচ,জাতীয় প্রতীক নিয়ে ধানের শীষ এবং অন্যান্য বিরোধী প্রার্থীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মত।কথা হল,বিএনপি করতে চান বিএনপির নামে ই করুন। সুশিল  নাম লাগানোর কি দরকার। এ লোক টার অবশ্য ছালুন চেখে দেখার অভ্যাস অনেক আগে থেকেই। ১৯৮৮ নির্বাচনে সব দল যখন গনতন্ত্রের জন্য নির্বাচন বর্জন করে,তখন তিনিই বিরোধী দলীয় নেতা হন। আহা!এর আগেই অবশ্য তাদের দল ভেঙে তৈরি হয় জাসদ রব,জাসদ সিরাজ,জাসদ ইনু,জাসদ হাস, জাসদ মুরগি ইত্যাদি ইত্যাদি নামে। আমার মনে হয়, এই লোক টা যে আজকাল দেশে গণতন্ত্র নেই, গণতন্ত্র নেই বলে চিৎকার করে; গণতন্ত্র যদি কোন মেয়ে হত তাহলে সে চিৎকার করে বলত,রব তাকে ধর্ষন করেছে এবং আত্মহত্যা করতো।

বিএনপির আরেক দালাল গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডাক্টার জাফুরুল্লাহ। উনার চরিত্রটা আসলে পুরনো মদের বোতলে তাড়ি খাওয়ার মত। নামটা ভীন্ন,কাজ একই।বেগম জীয়াকে উনি প্রচণ্ড ভালবাসেন!!! তাই ২০১৭ সালে আবেগ মিশিয়ে বলেছিলেন,”রাস্তায় নামুন।ঘরে বসে কেন?”আমি জানিনা,বেগম জিয়া  তারই কথা রাখতে যেকোন আন্দোলনে সবাইকে রাস্তা আটকাতে বলেন। সড়ক আন্দোলন, হেফাজতের আন্দোলন,চলো চলো ঢাকা চলো আন্দোলন। মানে মোট কথা,বিএনপির আন্দোলন মানেই রাস্তা আটকাও। সাদাচুলের এই ব্যক্তি কদিন আগেই দক্ষিণ এশিয়ার এ অঞ্চলের ঐক্যকে উস্কে দিয়েছিলেন। তিনি কাশ্মীর এবং মনিপুরে চীনের সহযোগিতা চান। বাংলাদেশকে বলেন নিষিদ্ধ ঘোষিত উল্ফাকে সাহায্য করতে। ত্রিশ লাখ শহীদের যে তালিকা,তাতে সবার আগে সন্দেহ পোষন করেন এই বেহায়া। তবে আমি আজ অব্দি একটা বিষয়ই বুঝিনা। তাহল,১৯৭৭ সালেই কেন উনি স্বাধীনতা পুরস্কার পান? পাঠক আপনি একটু ভাবুন।

বিএনপির সবচেয়ে বড় সার্কাসের নাম বদরুদ্দৌজা। আমি, উনি রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থাতেও কোনদিন উনার নাম ঠিক মত উচ্চারন করতে পারতাম না। উনাকে বদু বলাই বোধগম্য হবে। বিরল প্রজাতির ঘুম প্রিয় মানুষ ইনি। যার পাশের রুমে জিয়াকে ব্রাশ ফায়ার করা হলেও তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। সত্যিই বিরল তাইনা। লোক টা বিএনপি হওয়ার সাথে সাথে চুম্বকের মত তাতে যোগদেন। এক সময় স্থায়ী কমিটির সদস্যও হন। বিএনপির মাথায় চড়ে রাষ্ট্রপতি হন। তারপর আবার তার কান ধরে নিচে নামানো হয়। হাইকোর্টের সামনে বিএনপির নেতাকর্মীরা শুধু তার কান ধরেই ক্ষান্ত হন নি। লাথি চর থাপ্পড় যে যা পেরেছে দিয়েছে। এমনকি তার কাপড় চোপড় ধরেও টানাটানি করেন তারা। ভাগ্যিস,সেদিন তিনি লুঙ্গী পড়েছিলেন না!!! দুষ্টু নেতাকর্মীরা এরপরেও তাকে রেহাই দেন নি। মহাখালীর এক অনুষ্ঠানে তাকে তারা সুন্নতে খাতনার টেস্ট দিতে বলেন। নামে এবং কামে খাটি পাকিস্তানী হবার কারনে তিনি রাজি হননি। এরপর নেতাকর্মীরা তাকে রেললাইনে ১৬০০ মিটার দৌড়ে ফার্স্ট হতে বলেন। বেচারা!! উপায়ন্তর না দেখে ভোঁ দৌড় দিলেন। কিছু সাংবাদিক আবার তার দৌড়ের সাথে উসাইন বোল্টের দৌড়ের তুলনা করতে ছবিও তুলে রাখেন। জনগন এগুলির কোনটাই ভুলে যায়নি। তাই এবার মোর্চামুর্চি যাই করুন,ভেবে চিনতে করুন। নাহলে কথা বলার সময় কোদালের মত যে দাত টা বেড়িয়ে আসে,তা কিন্তু ভেঙে দেবে। যেমন আওয়ামীলীগ ভেঙে দিয়েছিল সুলতান মোহাম্মদ মনসুরের অহমিকা। মৌলভীবাজারের লোকগুলই কেমন জানি একই রকমের। ছাত্রলীগ করবে,আবার মনে মনে শিবিরের সাথী ও হবে। এই লোকটাই আওয়ামীলীগ থেকে সুবিধা নিয়ে ৫ জানুয়ারি নির্বাচনকে বলেছিলেন সার্কাস!!! যখন প্রয়োজন ছিল আরো আরো সমর্থনের তখন ঠিক উল্টো টা করেন তিনি। এই লোক টা সেই গিরগিটি যিনি শেখ হাসিনা বেচে থাকা অবস্থাওই সংস্কার চেয়েছিলেন। ঐযে বললাম,ভাদ্র মাস এলে প্রভু ভুক্ত কুকুরটাও উন্মাদ হয়ে যায়। তবে সুলতান মোহাম্মদ মনসুরের চেয়েও বড় কুত্তা ছিলেন ড. কামাল। একেবারে পারতঃ পক্ষে বঙ্গবন্ধুর পা পর্যন্ত চাটতেন এক সময়। চেটেচেটে সহজ সরল মনের বঙ্গবন্ধুর মন গলিয়ে মন্ত্রিও হন।এক কুত্তা যেমন অন্য কুত্তার কান চেটে দেয়,তেমনি কামালের কান চেটে দিয়েছিলেন জীয়া।সবার অগোচরে। তাই আজ আমরা গুজবে কান দেবেন না বললেও,তিনি বলেছিলেন ১৯৭৫ সালে। যখন লন্ডনে লেবার পার্টির এম পি মাইকেল বার্ন এবং পিটার শো এর মারফত তার কাছে খবর পৌছায় জাতীয় চার নেতাকে খুন করা হবে। তখন তিনি কোন ভ্রুক্ষেপ না করে বলেছিলেন,গুজবে কান দেবেন না। বঙ্গবন্ধু তার এক সময়ের অন্যদাতা ছিলেন। অথচ তিনি শহীদ হবার পর,লন্ডনে যে শোক সভার আয়োজন করা হয়,সেখান থেকে বিড়ালের মত পালিয়ে যান। শুধু তাইনা,ইনি সেই ব্যক্তি যিনি বঙ্গবন্ধুর মত বিচক্ষন ব্যক্তিকেও ঘুরিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুকে সমালোচনা করে লেখা the last days of United Pakistan বইয়ের জবাব একটি বই লেখার দায়িত্ব বঙ্গবন্ধু দেন ড কামালে কে। তিনি বঙ্গবন্ধুকে আজ না কাল,এ সপ্তাহ না পরের সপ্তাহ,এ মাসে না অন্য মাসে এমন করে ঘুরিয়েছেন। জানিনা সেই বই আজও লেখা হয়েছে কিনা। আরেক টা কথা,তিনি নিজেও এদেশে বিয়ে করেন নি তার মেয়েকেও এদেশে বিয়ে দেন নি। তার শ্বশুরালয় পাকিস্তানে। যুদ্ধের সময় তিনি সেখানেই ছিলেন। তার মেয়ে জামাই বার্গম্যান দালালদের পক্ষে নিযুক্ত একজন আইনজীবী।
যারা তাদের নিয়ে লাফালাফি করেন তাদের বলব আগে ইতিহাস জানুন। আমাদের ইতিহাসের দেলোয়ার স্যার বলতেন,ভাসাভাসা জ্ঞান নিয়ে ইতিহাস চর্চা হয়না। ইতিহাসে নকল করে পাস করা যায় ঠিকই,তবে ইতিহাস জানার ব্যাপারে ফল হয় পচে যাওয়া ডিমের মত দুর্গন্ধময়। সেক্ষেত্রে একটা গল্প দিয়ে শেষ করি।রহিম মেধাবী। পরীক্ষার খাতায় সে লিখছে-“যুদ্ধে হারিয়া হুমায়ন ভাঙিয়া পড়িলেন না। তিনি পিতা এবং গুরু বাবরের কথা ভাবিলেন। বাবর কি কখনো যুদ্ধে হারিয়া ভাঙিয়া পড়িয়াছিলেন? পড়েন নাই। বরং উল্লসিত হইয়া সহস্র সঙ্গী জোগাড় করিয়া আবার যুদ্ধ করিয়াছেন।যুদ্ধ জিতিবার জন্য ভাল সঙ্গী প্রয়োজন”।
করিম পড়াশোনা করেনা। ইতিহাস জানেনা।সে বরাবরের মত এবারো রহিমের খাতা একবার দেখেই লেখা শুরু করল-“যুদ্ধে হারিয়া হুমায়ন জাঙ্গিয়া পড়িলেন না।তিনি পিতা ও গুরু বাবরের কথা স্মরন করিলেন।বাবর কি কখনো যুদ্ধে হারিয়া জাঙ্গিয়া পড়িয়াছেন?পড়েন নাই।বরং উলঙ্গ হইয়া সহস্র লুঙ্গী জোগাড় করিয়া আবার যুদ্ধ করিয়াছেন।যুদ্ধ জয়ের জন্য ভাল লুঙ্গী প্রয়োজন”।

ধন্যবাদ।
শেখ স্বাধীন মোঃ শাহেদ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

Print Friendly, PDF & Email

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন...




Close(X)
Close(X)


Close(X)
Close(X)

সংবাদ খুজুন

ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিনঃ

 
সেরা নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম – SeraNews24.Com ☑️
পাবলিক গোষ্ঠী · 23,009 জন সদস্য

গোষ্ঠীতে যোগ দিন

প্রতিমুহূর্তের সংবাদ পেতে Like দিন অফিশিয়াল পেইজ এ।
নিউজ পোর্টাল: www.SeraNews24.Com
ফেসবুক গ্রুপ: http://bit.do/SN24FBGroup
ইউটিউব চ্যানেল: http://bi…
 

ঢাকা, বাংলাদেশ।
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২০
ওয়াক্তসময়
সুবহে সাদিকভোর ৪:৪৭
সূর্যোদয়ভোর ৬:০৩
যোহরদুপুর ১১:৪২
আছরবিকাল ৩:৪৪
মাগরিবসন্ধ্যা ৫:২১
এশা রাত ৬:৩৭







 About Us     Contact     Privacy & Policy     DMCA     Sitemap

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | সেরা নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম ২০১৮

Design & Developed By Digital Computer Center
error: Content is protected !!