বঙ্গবন্ধু হ্যামিলিয়নের বাশিওয়ালা,বাকি সব ইদুর : শাহেদ মোঃ স্বাধীন | | সেরা নিউজ ২৪ ডটকম | SeraNews24.Com | সর্বদা সত্যের সন্ধানে
বঙ্গবন্ধু হ্যামিলিয়নের বাশিওয়ালা,বাকি সব ইদুর : শাহেদ মোঃ স্বাধীন

বঙ্গবন্ধু হ্যামিলিয়নের বাশিওয়ালা,বাকি সব ইদুর : শাহেদ মোঃ স্বাধীন

bangabandhu




আজ বাঙালী মনীষার তুঙ্গীয় নিদর্শন,প্রগতিশীল প্রণোদনার বিখ্যাত আধার নজরুলের মহান প্রয়ান দিবস। অগ্নিবীণা হাতে তার প্রবেশ,ধুমকেতুর মত তার প্রকাশ।
কবি হিসেবে তাকে নিয়ে কিছু লিখতে যাওয়া আমার মত সাধারন মানুষের জন্য প্রায় ধৃষ্টতা। আমি তাই সেদিকে না গিয়ে একজন বাঙালী বা বাংলাদেশী হিসেবে তিনি কি করেছেন বা কেমন তাই নিয়ে অহেতুক কিন্তু নির্দিষ্ট গন্তব্যে মন্তব্য করব। অবহেলিত ভারতীয় এবং ধার্মিক মুসলিম সমাজে তার এতটাই প্রভাব ছিল যে, সদ্য সাবেক মুখ্যমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে কলকাতা থেকে বিতারনের জন্য যখন করের বোঝা চাপানো হয়,সেই সময়ে নজরুল মুসলিম হওয়া স্বত্বেও তার উন্নত চিকিৎসার জন্য মন্ত্রি শ্যামাপ্রসাদ বিলেতের প্রেরনের ব্যবস্থা করেন!!! অর্থাৎ একজন মুখ্যমন্ত্রীর চেয়েও তিনি প্রিয় ছিলেন,বলা যায় নিরঙ্কুশ প্রিয় ছিলেন।অহিনকুল  সম্পর্কের আওয়ামীলীগ এবং বিএনপির মধ্যে যদি কোন বিষয়ে মিল থাকে তাহলে সেটা এই নজরুল।আজও নজরুলের  সমাধি তে ফুল দিতে গিয়ে দেখলাম,আমাদের পেছনেই বিএনপির নেতারা পুষ্পস্তবক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।বিদ্রোহী, ভাঙার গান,রাজবন্দীর জবান বন্দি তে আমরা দেখেছি তার ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে রণ তূর্যধ্বনি। তালতলা লেনে মোজাফফর আহমদ সমেত ভারতের প্রথম সমাজতাত্ত্বিক দল গঠনে ভাল ভুমিকা রাখেন। ভারতীয়রা স্বাধীনতা যুদ্ধে তার রচিত গান,কবিতা থেকে যে শক্তি পেয়েছিল,তা অনন্য। অসাধারণ। কিন্তু একজন বাংলাদেশী হিসেবে আমার জিজ্ঞাসা,আমার বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে তিনি কি করতে পেরেছেন? ১৯৪২ সালে মস্তিষ্কের ফ্রন্টাল লোব সংকোচিত হবার পর তিনি বাক শক্তি হারান। তার প্রেরণাদায়ক লেখনী গুলি মুলত এই সময়ের আগেই লেখা। ১৯৭২ সাল পর্যন্ত তিনি ভারতীয় নাগরিক ছিলেন। ফলে আমার বাংলাদেশ জন্ম গ্রহন কাল অব্দি তিনি পাকিস্তান বন্দনাও করতে পারেন নি।যদি এই বাংলাদেশ বিনির্মানে কোন এক অখ্যাত মুসলিম লীগ কর্মী ১৯৪৯ সালে স্বপ্ন না দেখত,এবং সেই স্বপ্নের সফল বাস্তবায়ন না হত,তাহলে কাজী নজরুল তেমনি অখ্যাত কোন ভারতীয়  কবি হয়ে থাকতেন যেমন আজ আমরা অসঙখ্য ভারতীয় মুসলিম কবির নামও জানিনা।
অবিভক্ত বাংলায় শশাঙ্ক থেকে আজ অব্দি শেখ হাসিনা পর্যন্ত,হলায়ুধ মিশ্র থেকে হুমায়ন আহমদ পর্যন্ত কত রথী মহারথীর আগমন ঘটেছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কথাই ধরুন।নোবেল পেয়েছেন,নাইট উপাধি পেয়েছেন,বিশ্বকবির মর্যাদা পেয়েছেন।কিন্তু একজন বাঙালি হয়েও একটা বাংলাদেশ গড়তে পেরেছেন কি? মোহাম্মদ (সাঃ) যদি নিজ আদর্শে সৌদিআরব ই না গড়তে পারতেন,তাহলে আজ ইসলাম বৈশ্বিক ধর্ম হত? হত না।উনি বিশ্বকবি,অথচ একটি দেশ গড়ায় কি করেছেন? বরং বাংলাকে কেন্দ্র করে আজকের দেশ তা সৃষ্টিতে তিনি শুরু থেকে বাধা দিয়েছেন।বঙ্গভঙেগ বাধা দিয়েছেন,স্বদেশী আন্দোলন কে বলেছেন “চড়কা সংস্কৃতি “!!! আজকের বাংলাদেশ সৃষ্টির অন্যতম কাণ্ডারি প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রস্তাবে তিনি শুধু বাধাই দেন নি,ব্যঙ্গ করে বলেছিলেন,”ওখানে ধানমন্ডি আছে ফার্মগেট আছে।তাই ওখানে একটা কৃষি কলেজ করে দাও”।একবার ভেবে দেখুন তো উনি ঐ সময় এই বাংলাকে কেন্দ্র করে যা বলতেন,তার তাল লয় সুরের সাথে,কথা বলার ঢঙের সাথে সাকা চৌধুরীর ঢঙ্গের মিল আছে কিনা?
আমি হলপ করে বলতে পারি,যদি একাত্তরে মনে প্রানে বাঙালি একজন হিমালয় প্রতিম নেতার উদ্ভব না হতো,তাহলে এ দেশে উনার “আমাদের ছোট নদী” কবিতা তাও পড়ানো হত না,জাতীয় সঙ্গীত অনেক দুরের কথা।
ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রাম এবংস্বাধীন  বাংলাদেশ গড়া এক প্রকৃতির না। ভারতীয়রা স্বাধীন হবার জন্য সম্মুখ যুদ্ধ করেনি।বরং বলা যায়,পাকিস্তান তাদের থেকে আলাদা হবার প্রক্রিয়া তৈরির ক্ষেত্রে তাদের স্বাধীনতা ছিল অটোমেটিক চয়েস।ভারতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধে বাঙালীরা এমন অভূতপূর্ব ভুমিকা রেখেছে,যা বোধ করি অন্য কোন অঞ্চলের লোক করেনি। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে,তারা ভারত স্বাধীনতা সংগ্রাম করেছে,কিন্তু তাতে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যায়নি।জার্মানি থেকে অস্ত্র আমদানি করার সময়ে ধরা পড়েন বাঘা জতিন। প্রমোদ চৌধুরী ১৯২৪ সালে আলিপুরে জেল সুপার কে হত্যা করে।চট্টগ্রামে মাস্টার দা সূর্যসেনের কাহিনী তো এখন বিশ্ববিখ্যাত!!! বিনয়,বাদল,দীনেশ,প্রীতিলতা এদের নাম চিরস্মরণীয় হয়ে আছে ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামে। কিন্তু তাতে কি বাঙালিদের একটি স্বাধীন সার্বভৌম ভূমি লাভ হয়েছে? হয়নি। বরং ঔ সময়ের প্রেক্ষিতে এগুলি ছিল স্রেফ বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এগুলিকে কোন ভাবেই সার্বিক আন্দোলনে তারা রুপ দিতে পারেনি। সবচেয়ে বড় কথা,একটা সফল আন্দোলনের জন্য প্রয়োজন সকল শ্রেণীর অংশগ্রহণ, বিশেষ করে কৃষক শ্রমিক শ্রেণী।তারা সেটা পারেন নি।
আসুন আমরা আরো আগে ফিরে যাই। স্মরন করি স্বকৃত প্রথম বাঙালী মুসলিম শহীদ তিতুমির এবং ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ড কে হত্যা প্রচেষ্টাকারী বালক ক্ষুদিরামের কথা। মনে পড়ে ফকির মজনু শাহ,দুদু মিয়ার কথা। এরা স্বাধীনতার বীজ টা উনিশ শতকে রোপন করলেন,কিন্তু তা থেকে ফল পেতে সময় লাগল প্রায় একশো থেকে দেড়শত বছর!!! এর মধ্যে তো কত ভুবনজয়ী বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এলেন।কই কেউ তো বাঙালীদের মুক্তি দিতে পারল না!
সারা পৃথিবীতে আলোড়ন সৃষ্টকারী তত্ব নিয়ে এলেন জগদীশ চন্দ্র বসু। জানালেন,উদ্ভিদের প্রান আছে। কিন্ত জানালেন না,স্বাধীনতা আসবে কিভাবে। সত্যেন বোস ঈশ্বর কনা আবিষ্কার করলেন। কিন্তু বাঙালীদের ঈশ্বর হয়ে থেকে গেল পাকিস্তানিরা। পাটের জীন আবিষ্কার করেন ড মাকসুদুল আলম,মারকিউরাস নাইট্রাস আবিষ্কার করলেন পিসি রায়,বিশ্বের সবচেয়ে কার্যকরী সোলার আবিষ্কার করেন ড জালাউদ্দিন। এদের প্রত্যেকের আবিষ্কার সারা পৃথিবীকে বদলে দিয়েছে। কিন্তু বাঙালীর ভাগ্য বদলাতে পারেনি।
অর্মত্য সেন যখন অর্থনীতিতে নোবেল পান,তখন খোদ কলকাতার অর্থনীতি পাঞ্জাব তামিলের চেয়ে পেছনে। মার্ক্স যেমন তত্ব দিয়েও খাল্লাস,তেমনি মিঃসেন ও তার জনকল্যান অর্থনীতির সফল বাস্তবায়ন করতে পারেন নি। আরেক বাঙালী নোবেল জয়ী ড ইউনুস। বর্তমানে শান্তিতে নোবেল পাওয়া টা সবচেয়ে বড় কৌতুক। ওবামা যুদ্ধ বাধিয়ে শান্তিতে নোবেল পান,ইনি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে শান্তিতে নোবেল পান!!! সে ভীন্ন কথা। তবে আমার কথা, ৩১ বছরের একজন বাংলাদেশী যুদ্ধে যেহেতু যান নি সেহেতু তার নোবেল দিয়ে আমাদের আমরা ধুয়ে পানি খাবনা। পেটে ভাত না থাকলে মাথায় টুপি দিয়ে করব কি?
বিখ্যাত গায়ক,বাদক,শিক্ষক,সমাজ সংস্কারক, বিজ্ঞানী, অর্থনীতিবিদ যাদের কথাই বলি না কেন,তাদের অর্জন ধুলিকনার মত ঊড়িয়ে নিয়ে যায় পশ্চিমা বাতাস যদি না দেশ স্বাধীন হয়। এ ক্ষেত্রে কিছুটা ভুমিকা কেবল রাখতে পারে,রাজনৈতিক ব্যক্তি বা দল গুলি।  অবিভক্ত বাংলায়, এবং পরবর্তীতে বিভক্ত বাংলায় এমন অনেক নেতা ছিলেন যারা  সারা ভারতবর্ষে রাজ করেছেন। শের ই বাংলা একে ফজলুল হকের কথাই ধরুন। ভারত ভাগ হয় মুলত তার পঠিত দ্বিজাতিতত্ত্ব অনুসারে। কিন্তু তারই পঠিত States এর স্থলে যখন জিন্নাহ state বলে আলাদা রাষ্ট্রের স্থলে একটি দেশ করে বাঙালীকে পাকিদের অধীন করে দেয়,তখন তিনি চুপ ছিলেন। এই লোকটি ১৯৫৫ সংখা সাম্যের ভিত্তিতে যে নির্বাচন হয়, তাতে গঠিত মুসলীম লীগের কোয়ালিশন সরকারে যেতে সোহরাওয়ার্দী সাহেব রাজি না থাকলেও তিনি স্বরাষ্ট্রমমন্ত্রীর পদ গ্রহন করেন!!! পরবর্তীতে পাকিস্তান সরকারের সাথে সহযোগীতা করে বাংলার গভর্নর ও হন। পাকিস্তান সরকার তার কাজে খুশি হয়ে তাকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব হেলাল -ই-পাকিস্তান প্রদান করেন।

পাঠক,এবার আপনিই ভাবুন, তিনি যদি ৭১ সালে জীবিত থাকতেন তাহলে তিনি কোন দিকে থাকতেন।

তবে বাংলার স্বাধীনতার জন্য আমাদের ৭১ অব্দি অপেক্ষা করতে হতনা, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দি জিন্নাহ যখন অনেক গুলি মুসলিম রাষ্ট্রের স্থলে একটা রাষ্ট্র ঘোষনা করেন,তখন বিরোধিতা করলে। তাছাড়া ১৯৪৬ কোলকাতা এবং নোয়াখালী দাঙার ঘটনায় তার নিরব ভুমিকা কোলকাতার হিন্দুরা ভালভাবে নেয়নি। ফলে তিনি শরৎ বসুর সাথে এক মিলিত হয়ে অবিভক্ত বাংলার যে দাবি করেন,তা সমর্থন হারায়।এমনকি,পাকিস্তানের আমেরিকার যে সুসম্পর্ক তার ভিত্তি গড়ে উঠে তারই প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায়। যে সম্পর্কের দড়িতে ভর করে আমেরিকা আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ৭ম নৌবহর পাঠায়। তারা অবস্থান নিতে পারলে,আমাদের  স্বাধীনতা স্বপ্নেই শেষ হয়ে যেত।
সমসাময়িক আরেকজন নেতা ছিলেন জনাব মাওলানা ভাসানি। দুইমন দুই আশা নীতিতে চলা এই লোকটা ১৯৬৫ সালে আইউব সরকারের পররাষ্ট্রনীতি সমর্থন করেন। ১৯৬৬ ছয় দফাকে ঘৃনা ভরে বিরোধিতা করেন। ১৯৭০ এর নির্বাচন থেকেও সড়ে দাড়ান। তিনি যে বেইজিং পন্থী রাজনীতি করতেন,সেই শিবির আমাদের মহান মুক্তি যুদ্ধকে “দুই কুকুরের লড়াই” বলেছেন।
কমরেড মনি সিংহ কিংবা মোজাফফর আহমদ যার কথাই বলি না কেন,তাদের সেই ক্ষমতা, শক্তি,শৌর্যবীর্য,সামর্থ্য, সুযোগ বা নেতৃত্বগুণ ছিল যা দিয়ে তারা ভাসানী বা ফজলুক হক কে টপকে যাবেন।ফলে স্বাধীনতার প্রশ্নে আহামরি অবদান ভাসানী,সোহরাওয়ার্দি কিংবা ফজলুল হকেরই পাইনা;এদের বাইরে যারা আছে  তারা তো নস্যি!!!

বিজ্ঞানী,সাহিত্যিক,সমাজসংস্কারক, রাজনৈতিক কেউ সেভাবে পারলেন না! তাহলে আমরা স্বাধীনতা লাভ করলাম কিভাবে?একেবারে সহজ উত্তর, একটি তর্জনীর ইশারায়।যে কাজ টা নজরুল -রবীন্দ্রনাথ হাজার হাজার কবিতা গানে পারেন নি,সেটা তিনি করেছিলেন একটি ভাষনে। যেটা প্রখ্যাত বিজ্ঞানীরা ভুবনজয়ী আবিষ্কারে করতে পারেন নি,সেটা তিনি আবিষ্কার করেছিলেন একটা ছয় দফায়। এত এত নোবেল,পদক যা বিনির্মান করতে পারেনি বাঙালীর অদম্য সেই সাহস তিনি জাগিয়ে তুলেছিলেন একটা গণআন্দোলনে। যিনি মনে প্রানে ধ্যানে জ্ঞ্যানে বাঙালী। বাংলা তার ভাষা। বাংলা তার দেশ। ” বঙ্গবন্ধু “। বাংলাদেশ তৈরিতে তিনি হ্যামিলিওনের বাশিওয়ালা। বাকি সব “ইন্দুর”। তিনি তার তর্জনী দিয়ে যা নির্দেশ করেছেন,বাকি সবাই তা অনুকরণ করেছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে একমাত্র বিশ্বকবি,একমাত্র গীতিকার, একমাত্র যোদ্ধা,একমাত্র সংগঠক, একমাত্র গায়ক,এক মাত্র দেশবন্ধু,একমাত্র শের ই বাংলা,একমাত্র বিপ্লবী, একমাত্র কারিগর, একমাত্র নেতা। সব, তিনিই সব। বাংলাদেশ এবং বঙ্গবন্ধু একই উপাখ্যানের দুটি নাম।

 

লেখকঃ
শাহেদ মোঃ স্বাধীন
সাবেক সহ সভাপতি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ

Print Friendly, PDF & Email

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন...




Close(X)
Close(X)


Close(X)
Close(X)

সংবাদ খুজুন

ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিনঃ

 
সেরা নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম – SeraNews24.Com ☑️
পাবলিক গোষ্ঠী · 23,009 জন সদস্য

গোষ্ঠীতে যোগ দিন

প্রতিমুহূর্তের সংবাদ পেতে Like দিন অফিশিয়াল পেইজ এ।
নিউজ পোর্টাল: www.SeraNews24.Com
ফেসবুক গ্রুপ: http://bit.do/SN24FBGroup
ইউটিউব চ্যানেল: http://bi…
 

আজকের নামাজের সময়সূচি

ঢাকা, বাংলাদেশ।
সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০
ওয়াক্তসময়
সুবহে সাদিকভোর ৫:০৪
সূর্যোদয়ভোর ৬:২৩
যোহরদুপুর ১১:৪৭
আছরবিকাল ৩:৩৫
মাগরিবসন্ধ্যা ৫:১১
এশা রাত ৬:৩১







 About Us     Contact     Privacy & Policy     DMCA     Sitemap

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | সেরা নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম ২০১৮

Design & Developed By Digital Computer Center
error: Content is protected !!