জেগে উঠেছে বংশীবাসী, চায় নতুন নেতৃত্ব: আবদুর রহমান – সেরা নিউজ ২৪ ডটকম | SeraNews24.Com | সর্বদা সত্যের সন্ধানে
সংবাদ শিরোনাম :
মাওনা প্রিমিয়ার লীগে ভিক্টরিয়া একাদশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ভাইকিংস একাদশ ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিতে আধুনিক মঞ্চ নাটক প্রদর্শনী তিতুমীরে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশে জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহ চকবাজার অগ্নিকান্ডে রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালিত কবি সাজেদুল হকের ” মাছরাঙার শহরে, উড়ে যাওয়া পাখির দূরে যাওয়া শূন্যতা “ শ্রীপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আলহাজ্ব আব্দুল জলিলকে নৌকার প্রার্থী হিসেবে চায় শ্রীপুরবাসী কুষ্টিয়া তে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১ কুমারখালী তে বই উৎসব ২০১৯ অনুষ্ঠিত। কুষ্টিয়া -৪ আসনের আওয়ামীলীগের প্রার্থী সেলিম আলতাফ জর্জ বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী। নৌকায় ভোট চাইলেন তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগ নেতা হাসানুর রহমান শাওন
জেগে উঠেছে বংশীবাসী, চায় নতুন নেতৃত্ব: আবদুর রহমান

জেগে উঠেছে বংশীবাসী, চায় নতুন নেতৃত্ব: আবদুর রহমান

ফেসবুক থেকেঃ

আবদুর রহমান-
রায়পুরের চরবংশীর এক রাজনৈতিক চরিত্রহীন নেতার উত্থানের ইতিবৃত্তঃ
নামের সাথে সে জুড়ে নিয়েছে মাস্টার খেতাব। যদিও সে এখন আর শিÿক না। তার পরেও লেজে মাস্টার। নাম তার আলতাফ হালদার। একদা চর বংশি এস. এম আজিজিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিÿক ছিল। করতো জামায়াতে ইসলাম। মাওলানা মোখলেছের (সাবেক আমীর, ২নং চর বংশী ইউনিয়ন জামাত) সাথে দিনে-রাতে লাগাত জামাতের পোস্টার। তার ভাই আবুল পাগলার ছিল হাজীমারা মাছঘাটে ২ আনা শেয়ার, ওসমান খানের সাথে। সেই সুবাদে জানাশোনা হয় লক্ষ্মীপুরের বি.এন.পির দুই দুস্ট নেতা ভোলা কমিশনার আর মতলব সওদাগরের সাথে। রাতারাতি জামাত হতে বি.এন.পি নেতা হয়ে যায় এই আলতাফ হালদার। তারপর আর তাকে পেছনে তাকাতে হয়নি। বি.এন.পির ÿমতা কাজে লাগিয়ে ওসমান খানকে তাড়িয়ে হাজিমারা মাছ ঘাট সহ ৩টি মাছ ঘাটের একক নিয়ন্ত্রন নিয়ে নেয় এই মাছখেকো আলতাফ। আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের উপর চালায় ব্যাপক নির্যাতন। খালেদা জিয়ার নির্দেশে ১৫ ফেব্রম্নয়ারীর নির্বাচনে খাসের হাট বাজারের দুটি ভোট কেন্দ্র সহ ২ নং চর বংশীর সকল ভোট কেন্দ্র থেকে পুলিশ আর বি.এন.পি ক্যাডারদের নিয়ে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের বিতাড়িত করে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে মরনপন লড়েছিল এই আলতাফ। ১৯৯৬ সনের নির্বাচনে আওয়ামীলীগ ÿমতায় এলে বিপদে পড়ে এই রাঘব। উপায়ামত্মর না দেখে সে ১৯৯৭ এ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রায়পুর আগমনের দিন এল এম স্কুলের মাঠে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জনাব মোহাম্মদ উল্যাহ সাহেবের সাথে আওয়ামীলীগে যোগ দেয়। পরবর্তীতে ১৯৯৭ এর ইউ.পি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হলেও আওয়ামী লীগ তাকে ’’নতুন লীগ’’ বলে নমিনেশন না দিয়ে মালেক খানকে নমিনেশান দেয়। কিন্তুু আলতাফ ও আবদুর রশিদ মোল্যা সিন্ডিকেট করে আরো কিছু সুবিধাবাদী নেতা নিয়ে যথারীতি ঘাটের ও চরের দখল ধরে রাখতে সÿম হয়। ফলে তার অর্থনীতি দিন দিন শক্তিশালী হয়ে ওঠে। সে সময়ের উদীয়মান আওয়ামী লীগ নেতা জামিল খানকে মাছ খাইয়ে আর হিস্যা দিয়ে তার ঘাট আর চরের রামরাজত্ব আরো বিসত্মৃত করে এই জালিমশাহী। লাঠিয়াল মতি সর্দার (পরে দলত্যাগী মরহুম) আলতাফের নির্দেশে চরের নিরীহ কৃষক ও চাইওয়ালা হতে শুরম্ন করে মৎস্যজীবিদের উপর ট্যাক্স ধার্য্য করে দেয়। টাকার পাহাড় গড়ে ওঠে এই চরখেকোর। কিন্তুু সন্ত্রাসীদের টাকার উপর প্রায়শই গজব পড়ে। আলতাফের লোভ বেড়ে গেলে সে জমানো সব টাকা ও আরো ধার দেনা করে মালেক খানের মত দাদন ব্যবসায় বিনিয়োগ করে। উক্ত ব্যবসায় মার খায় সে। ফলে অনেক টাকা দেনায় পড়ে আলতাফ, যা আজো পরিশোধ করতে পারেনি (পাওনাদাররা ভয়ে এখন আর টাকা চায়না)। ইতিমধ্যে তার দোসর জামিল খান শেয়ার মার্কেটে মার খেয়ে ফকির হয়ে যায় ও আলতাফ বেকায়দায় পড়ে যায়। পরবর্তীতে ২০০১ এ বি.এন.পি জোট ÿমতায় এলে তার দুর্দশা আরো বেড়ে যায়। লোকজন পাওনা টাকা চাইতে শুরম্ন করলে ও ক্রমশঃ চাপ দিলে ধুর্ত আলতাফ পালিয়ে এলাকা ছাড়ে ও তার বিভিন্ন আত্মীয়ের বাসায় লুকিয়ে তৎকালীন এম.পি আবুল খায়ের ভুঁইয়ার সাথে লিয়াজো করার চেস্টা করে ব্যর্থ হয়। অবশেষে উপায়ামত্মর না দেখে সে ঢাকা চলে যায় ও তার শ্বশুর বাড়ি ও অন্যান্য আত্মীয়দের বাসায় আশ্রয় নেয়। বি.এন.পি তাকে দলে ফিরার সুযোগ দেয়ার মত ভুল করেনাই। পরবর্তীতে সে তার পরিবারের সচেতন লোকদের সহায়তায় দীর্ঘ ১৭ মাস পর ৫/৬টি মামলায় জামিন নিয়ে ও লিয়াজোর মাধ্যমে বাড়ি ফিরে আসে। পরিবারের স্বচ্ছল ব্যক্তিদের সহায়তা ও জমিজমা বিক্রি করে কোনমতে দিনাতিপাত করতে থাকে সে। তার ভাগ্যাকাশে ইতোমধ্যে মোহাম্মদ আলী খোকন নামক তারকার আগমন ঘটলে এই ধুরন্ধরের সুদিন ফিরে আসে। এই শিল্পপতির আর্থিক সহায়তার ফলে সে ঘুরে দাঁড়ায়। মইনুদ্দিন-ফখরম্নদ্দিনের সময় খোকন সাহেবের পরিচিত মেজর শাহরিয়ারের সহায়তায় সে তার আত্মীয় আছান মাঝির দলিল চুরি করে কানিবগার চরের ১২০০ একর জমির দখল নেয় । তার উপর ভিত্তি করে সে দখল করে নেয় চরের হাজার হাজার একর জমি। ইতিমধ্যে আওয়ামীলীগ পাওয়ারে চলে আসলে আলতাফ বেপরোয়া হয়ে ওঠে। সে কানিবগার নামে ঘাসিয়ার চরের বিসত্মীর্ণ এলাকার জমি দখল করে নেয়। এসব জমি কানি প্রতি ১৫০০০/- টাকা খাজনা লাগিয়ে সে কয়েক কোটি টাকার মালিক বনে যায়। সেই টাকার জোরে চেয়ারম্যান নমিনেশন পায় সে ও জোর করে চেয়ারম্যান হয়ে যায়। মুলতঃ তার পুঁজি হলো ২/৩ হাজার কৃষক যারা তার জমি খাজনা রেখে চাষ করে। এই কৃষকেরা জমি হারানোর ভয়ে আলতাফ যখনই খবর দেয় তখনই স্বপরিবারে হাজির হতে বাধ্য বিধায় হাজির হয়। আর এসব জনসমাগমকে সে তার জনপ্রিয়তা বলে প্রচার করে। তাছাড়া জেলেরা তার কথা না শুনলে তাদের উপর নানা রকম অত্যাচার চালায়। একই সুত্রে সে চরে একের পর এক ৫টি মাছঘাট দিয়ে সেখানে জেলেদেরকে মাছ বিক্রি করতে বাধ্য করে। এইসব ঘাট থেকে সে প্রতিদিন রশিদবিহীন তিন লাখ টাকার মত আয় করে। এই টাকায় সে ঢাকা শহরের ধানমন্ডিতে তৈরী করেছে প্রাসাদোপম বিশাল বাড়ি। এসব মাছঘাটের কোন বৈধ কাগজপত্র ও ট্রেড লাইসেন্স নাই । কেননা সেগুলো সরকারের চরের খাস জমিতে। ইতিমধ্যে রায়পুর আওয়ামীলীগের বিভক্তির কারনে আলতাফ উপজেলা চেয়ারম্যান হয়ে যায়। পরবর্তীতে তার ভাই বি.এন.পি ও জামাত বান্ধব আবুল হোসেন হালদারকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সিজারে চেয়ারম্যান বানায়। উলেস্নখ্য উক্ত আবুল হোসেন স্থানীয় আওয়ামীলীগের এমনকি সদস্যও ছিলনা । কারন সে কৃষি অফিসের কেরানীর পদ থেকে এল.পি. আর ছুটিতে ছিল। আলতাফের এসব কর্মকান্ডের প্রতিবাদে বাজারের মানুষ বাবুল খলিফাদের নেতৃত্বে বছর খানেক আগে একবার আলতাফকে ও তার বাড়ির লোকদেরকে উত্তম-মধ্যম দেয় এবং জুতা ও চেয়ার নিÿÿপ করে খোদ তার অফিসেই। তার ভাই আবুল হোসেন চেরম্যান (যে কিনা এলাকাতে জুতা চেরম্যান হিসাবে পরিচিত) নানা অনিয়ম ও দুর্নিতি করলে স্থানীয় জনগণ খেপে যায়। বিগত কিছুদিন পুর্বে এলাকার সচেতন জনগণ উক্ত জুতা চেরম্যানকে বাজারের আওয়ামীলীগ অফিস ও আলতাফের স্থানীয় কার্যালয়ে বেঁধে রেখে অপমান করে। পরবর্তীতে আলতাফ রায়পুর থেকে এসে ÿুব্ধ মানুষদের কাছে মাফ চেয়ে পরিস্থিতি শামত্ম করে। তাদের দুই ভাইয়ের অপশাসন আর অত্যাচারে এলাকার মানুষ খেপে যাওয়ায় আলতাফ বর্তমানে অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে রায়পুরে পাপুলের আগমন ঘটলে আলতাফ লোভে পড়ে তার সাথে গোপন আঁতাত করে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় ও গেল ঈদে তা তার আস্থাভাজনদের মধ্যে বিতরণ করে। মুলতঃ তার ভোট ব্যাংকের উপর আস্থা রেখেই পাপুল উৎসাহিত হয়েছে বলে গুজব রয়েছে। পাপুল কানেকশান আলতাফ অস্বীকার করলেও তার আস্থার ছাত্রনেতা (পতিত) খান আল মামুন ওরফে রম্নটি মামুন (আলতাফের ঘাটে মামুনের বাবার আটার রম্নটির দোকান ছিল বিধায় এলাকায় সে রম্নটি মামুন বলে পরিচিত) ও ইয়াবা জুলহাস খলিফা পাপুলের থেকে দুটি এপাচি হোন্ডা এনেছে তারই ইশারায়। এমতাবস্থায় পাপুলের সাথে আলতাফের কানেকশান বিষয়ে এলাকায় গুঞ্জন রয়েছে। তাছাড়া পাপুল আলতাফের জন্য ৯৩ লাখ টাকা দিয়ে গাড়ি কিনেছে এমন কথাও প্রচলিত আছে। ঘটনা যাই হোক চতুর আলতাফ গত নির্বাচনে আনারসের সাপোর্ট করলেও বর্তমানে হারম্নন সাহেবের কাছে ধর্না দিয়েছে। কিন্তুু রাজনীতিবিদ হারম্নন সাহেব এÿÿত্রে সাবধান আছেন বলেই ঘটনাপ্রবাহ ইঙ্গীত দিচ্ছে। এই মুহুর্তে আলতাফ রাজনৈতিকভাবে বেকায়দায় আছে ও তার জনপ্রিয়তা তলানিতে আছে এমনটাই বোঝা যায়। সাম্প্রতিক কালে সে নিজেকে দলীয়ভাবে আস্থায় আনতে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটাচ্ছে। বিগত ঈদের সময় স্থানীয় বি.এন.পির লাগানো ঈদ শুভেচ্ছার ব্যানার ফেস্টুন ছিড়ে ফেলা ও ছাত্রলীগের পোলাপাইন দিয়া ছাত্রদলের ছেলেদের মারধর করার ঘটনা ঘটিয়েছে আলতাফ। অথচ তার ভাই চেরম্যান হোসেন ইউনিয়ন বি.এন.পির নেতা সালউদ্দিন ডাক্তার ও তার ভাই ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও যুবদলের সম্মেলন প্রস্ত্ততি কমিটির আহবায়ক শোয়েব হাসান মামুনের সাথে বসে সময় কাটায় প্রায় ১২-১৫ ঘন্টা। এসব বিষয়ে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী মফিজ খান আলতাফ ও হোসেনকে কয়েকবার সতর্ক করেছে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ চরমে। আলতাফ ভাইদ্বয় গোপনে মফিজ খানের বিরম্নদ্ধে লাঠিয়াল যোগাড়ের চেস্টা করতেছে কিন্তুু সাড়া পাচ্ছেনা। ফলে আপাততঃ সব অপমান তাদের সইতে হচ্ছে নীরবে। আলতাফদের দুর্বলতার খবর ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। সুতরাং তার ভবিষ্যৎ আশংকাযুক্ত। তার উপর ভরসা করে ইতিমধ্যেই ক্যারিয়ার ধ্বংস হয়েছে কিছু ছাত্রলীগ নেতার যারা উপরে উঠতে গিয়ে আলতাফের পাজেরোর নীচে পড়ে ছাত্রলীগ থেকে ছিটকে গেছে। তাই এখন সচেতন মহল বলে ’’ আলতাফ আর হোসেন নামক দুটি কুকুর হতে সাবধান’’। মানুষ এখন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নতুন নেতৃত্ব চায় ২ নং উত্তর চর বংশীতে। সময় বলে দেবে কে আসছে নতুন কান্ডারী হয়ে। তবে আলতাফের সাথে থাকা এক বাড়ির এক নেতার একটি করে পদ পাওয়ার মত কেউ থাকবেনা আগামী কমিটিতে। জেগে উঠেছে বংশীবাসী। সন্ত্রাসীদের পতন ঘটিয়ে সুশীল নেতৃত্বে বলীয়ান হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত ২ নং চরবংশীর আওয়ামীলীগ। সুবিধাবাদী নেতা হারিয়ে যাবে সময়ের গহীনে- এই প্রত্যাশা প্রতিটি অর্জিনিয়াল কর্মীর মনে।
জয় বাংলা
ভাই লীগ নিপাত যাক।

ফেসবুকে করা পোস্টটি দেখতে ক্লিক করুন | Click To Open Post

Print Friendly, PDF & Email

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার মতামত ‍লিখুন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন...

সংবাদ খুজুন

ফেসবুক গ্রুপ অনুসরন করুনঃ

বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮ – World Cup Football 2018 – SeraNews24.com
Facebook Group · 35,396 members
 

Join Group

 

প্রতিমুহূর্তের সংবাদ পেতে ভিজিট করুন “সেরা নিউজ ২৪ ডটকম”
www.SeraNews24.com

 About Us     Contact     Privacy & Policy     DMCA     Sitemap

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত সেরা নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম -২০১৮